Thursday, July 9, 2026

Maulana Abdul Waris Urges Reform to Strengthen Government Schools in AssamKarimganj, Assam: Maulana Abdul Waris, President of the Malegarh Block Congress Committee, has urged the Assam Government to take bold steps to improve the quality of education in government schools.In a statement, he proposed encouraging the children of the Chief Minister, Ministers, MLAs, MPs, government officials, government teachers, and other public servants to study in government schools, or adopting policies that strengthen their direct engagement with the public education system. He argued that such measures would enhance accountability and lead to better infrastructure, improved teaching standards, and stronger monitoring.Citing the examples of Finland, Norway, Sweden, Japan, and Singapore, he said that strong public education systems are the foundation of national development.Maulana Abdul Waris emphasized that education is a fundamental right of every child and called on the Government to implement comprehensive reforms, fill teacher vacancies, modernize school infrastructure, and ensure quality education for all.He expressed confidence that a stronger government school system would help build a more educated, equitable, and prosperous Assam.

ইসলামে জাতিভেদের কোনো স্থান নেই — তথাকথিত জাতিভেদ দূরীকরণে চাই আলোচনা সভা, সেমিনার ও ওয়াজ মাহফিলমানবসভ্যতার ইতিহাসে বিভাজনের যত রেখা টানা হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর রেখাগুলোর একটি হলো জন্ম, বংশ বা পরিচয়ের ভিত্তিতে মানুষের মর্যাদা নির্ধারণের প্রবণতা। অথচ ইসলাম এমন এক মহান জীবনব্যবস্থা, যার সূচনালগ্নেই ঘোষণা করা হয়েছে—সমস্ত মানুষ একই পিতা-মাতা, হযরত আদম (আ.) ও হযরত হাওয়া (আ.)-এর সন্তান। তাই ইসলামে মানুষের পরিচয় তার বংশ, গোত্র বা উপাধিতে নয়; বরং তার ঈমান, তাকওয়া, চরিত্র এবং সৎকর্মে।পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন—"নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বাধিক সম্মানিত, যে সর্বাধিক পরহেজগার।" (সূরা আল-হুজুরাত: ১৩)এই একটি আয়াতই ইসলামে তথাকথিত জাতিভেদ, বংশগৌরব ও সামাজিক অহংকারের ভিত্তিকে ভেঙে দেয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণে আরও স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছিলেন—«কোনো আরবের ওপর অনারবের, কোনো অনারবের ওপর আরবের, কোনো শ্বেতাঙ্গের ওপর কৃষ্ণাঙ্গের কিংবা কোনো কৃষ্ণাঙ্গের ওপর শ্বেতাঙ্গের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই; শ্রেষ্ঠত্বের একমাত্র মাপকাঠি হলো তাকওয়া।»এই ঘোষণাই ইসলামের সাম্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের চিরন্তন সনদ।তবুও দুঃখজনক হলেও সত্য, বরাক উপত্যকার মুসলিম সমাজে আজও এক ধরনের তথাকথিত জাতিভেদের মানসিকতা কোথাও কোথাও বিদ্যমান। কেউ একে প্রকাশ্যে স্বীকার করুন বা না করুন, বাস্তবতার নিরিখে এর অস্তিত্ব পুরোপুরি অস্বীকার করা কঠিন। কোথাও বংশের অহংকার, কোথাও উপাধির গর্ব, কোথাও আবার তথাকথিত নিচু পরিচয়ের কারণে অবহেলা—এসব আচরণ ইসলামের শিক্ষা নয়; বরং সামাজিক কুসংস্কার ও ঐতিহাসিক অভ্যাসের বহিঃপ্রকাশ।বর্তমান সময়ে এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক বিদ্বেষ, সামাজিক বিভাজন কিংবা "Divide and Rule" ধরনের রাজনীতির আশ্রয় নেওয়া আরও বিপজ্জনক। কারণ আজকের ভারতবর্ষ বহু গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক, সামাজিক ও গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এমন সময়ে বিভক্তির রাজনীতি নয়, প্রয়োজন ঐক্যের রাজনীতি।প্রকৃতিও আমাদের এই শিক্ষা দেয়। বন্যার সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পিঁপড়েগুলো পর্যন্ত একে অপরকে আঁকড়ে ধরে জীবন রক্ষার চেষ্টা করে। অথচ মানুষ, যে সৃষ্টির সেরা জীব, সে যদি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিচয়ের অহংকারে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে তা কেবল দুর্বলতাই ডেকে আনে।আজ যখন দেশজুড়ে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা, জাতি ও বর্ণের মানুষ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং সংবিধানের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়াস চালাচ্ছেন, তখন মুসলিম সমাজের ভেতরে তথাকথিত আশরাফ-আতরাফ কিংবা জাতভিত্তিক বিতর্ক উসকে দেওয়া সময়োপযোগীও নয়, কল্যাণকরও নয়।বাস্তবতা হলো, বরাক উপত্যকার মুসলিম সমাজে প্রচলিত অধিকাংশ টাইটেল বা উপাধিই মূলত ঐতিহাসিকভাবে পেশাভিত্তিক। এগুলো জন্মগত কোনো ধর্মীয় মর্যাদা নয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট সময়ে কোনো ব্যক্তি তাঁর কর্ম, দায়িত্ব বা পেশার কারণে একটি উপাধি অর্জন করেছিলেন। পরবর্তীকালে তা পারিবারিক পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে।একটি সাধারণ উদাহরণ ধরা যেতে পারে। একজন ব্যক্তি একটি তালুকের মালিক ছিলেন, তাই তিনি "তালুকদার" নামে পরিচিত হলেন। তাঁর মৃত্যুর পর যদি চারজন উত্তরাধিকারী সম্পত্তি সমানভাবে ভাগ করে নেন, তবে প্রত্যেকেই আর পূর্ণ তালুকের মালিক থাকেন না। কিন্তু উপাধিটি থেকে যায়। অর্থাৎ উপাধি সবসময় বর্তমান বাস্তবতা বা ব্যক্তিগত যোগ্যতার পরিচয় বহন করে না; বরং অনেক ক্ষেত্রে তা কেবল ঐতিহাসিক স্মৃতি হিসেবে টিকে থাকে।একইভাবে, কেউ যদি নিজেকে "মাইমাল" বা "মৎস্যজীবী" পরিচয়ে পরিচিত করেন, অথচ তিনি বা তাঁর পরিবার বহু প্রজন্ম ধরে মাছ ধরা বা মাছের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত না থাকেন, তাহলে সেই পরিচয়ও বাস্তব পেশাগত পরিচয় নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক সামাজিক পরিচয়মাত্র। ফলে এসব পরিচয়কে শ্রেষ্ঠত্ব কিংবা হীনমন্যতার মানদণ্ডে পরিণত করা যুক্তিসংগত নয়।এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে অতীতে আমরা অনেকেই আবেগের বশে বা সামাজিক বাস্তবতার প্রভাবে এসব বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছি। কিন্তু সময়ের দাবি হলো—বিতর্ক নয়, সমাধান; বিভাজন নয়, সম্প্রীতি; বিদ্বেষ নয়, ভ্রাতৃত্ব।তাই আজ সবচেয়ে জরুরি হলো সমাজজুড়ে ইতিবাচক সচেতনতা সৃষ্টি করা। প্রতিটি মসজিদ, প্রতিটি মহল্লা, প্রতিটি ওয়াজ মাহফিল, প্রতিটি ইসলামিক সম্মেলন এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলামের সাম্যের শিক্ষা তুলে ধরা দরকার। ইসলামি চিন্তাবিদ, আলেম-উলামা, গবেষক, শিক্ষক এবং সমাজবিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও উন্মুক্ত সংলাপের আয়োজন সময়ের অপরিহার্য দাবি।এসব আয়োজনের উদ্দেশ্য কোনো সম্প্রদায়কে ছোট করা নয়, কারও ঐতিহাসিক পরিচয় অস্বীকার করা নয়; বরং সবাইকে মনে করিয়ে দেওয়া—মানুষের প্রকৃত মর্যাদা তার জন্মে নয়, তার চরিত্রে; তার উপাধিতে নয়, তার আমলে; তার বংশে নয়, তার মানবিকতায়।আমরা যদি আজও এই সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। তারা প্রশ্ন করবে—যে ধর্ম বিলাল (রা.), সালমান আল-ফারসি (রা.) ও সুহাইব রূমী (রা.)-কে একই কাতারে দাঁড় করিয়েছিল, সেই ধর্মের অনুসারীরা কেন নিজেদের মধ্যে কৃত্রিম বিভাজন সৃষ্টি করেছিল?আসুন, আমরা শপথ নিই—বরাক উপত্যকার প্রতিটি মহল্লা, প্রতিটি মসজিদ, প্রতিটি ওয়াজ মাহফিল এবং প্রতিটি সামাজিক মঞ্চে ইসলামের সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মর্যাদার বাণী পৌঁছে দেব। বিভেদের দেয়াল নয়, ঐক্যের সেতু নির্মাণ করব। অহংকারের নয়, তাকওয়ার প্রতিযোগিতায় অংশ নেব। কারণ সমাজকে বদলানোর সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তি ঘৃণা নয়, জ্ঞান; বিদ্বেষ নয়, প্রজ্ঞা; বিভাজন নয়, ভালোবাসা।শেষে একটি কথা—"নহে আশরাফ শুধু যার আছে বংশের পরিচয়,সেই আশরাফ, যার জীবন পুণ্যকর্মময়।"এই চেতনা যদি আমাদের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে কোনো তথাকথিত জাতিভেদই আর সমাজকে বিভক্ত করতে পারবে না। ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা, মানবতার প্রকৃত সৌন্দর্য এবং ভ্রাতৃত্বের প্রকৃত আদর্শ তখনই আমাদের সমাজে বাস্তব রূপ লাভ করবে।

Wednesday, July 8, 2026

Maulana Abdul Waris Expresses Deep Condolences on the Demise of Eminent Educationist and Islamic Scholar Dr. Maulana Nizam Uddin ChoudhuryKarimganj: Maulana Abdul Waris, President of the Malegarh Block Congress Committee, has expressed profound grief and sorrow over the sudden demise of Dr. Maulana Nizam Uddin Choudhury, former Professor of the Persian Department at Hailakandi S.S. College, District Qazi-e-Shariat of Hailakandi, Nazir-e-Talimat and Muhaddith of the madrasa established by the late Second Ameer-e-Shariat, and a distinguished Islamic scholar and educationist.In a condolence message, Maulana Abdul Waris described Dr. Choudhury as a shining symbol of knowledge, wisdom, piety, and moral excellence. He stated that Dr. Choudhury's remarkable contributions to Islamic education, religious scholarship, and the moral development of society would be remembered with deep respect for generations to come. As an exemplary teacher, he enlightened the minds of countless students, and as a Muhaddith, he dedicated his entire life to the propagation of the authentic teachings of the Holy Qur'an and Sunnah.Maulana Abdul Waris further remarked that with his passing, the Barak Valley has lost an eminent scholar, a devoted educationist, and a compassionate guardian of society. His absence will be deeply felt, and the void created by his demise will be difficult to fill. His lifelong commitment to knowledge, humility, integrity, and selfless service to humanity will continue to inspire future generations.Praying for the departed soul, Maulana Abdul Waris said:> "May Almighty Allah accept all his religious and humanitarian services, transform his grave into one of the gardens of Paradise, grant him the highest rank in Jannatul Firdaus, and bless his bereaved family, relatives, students, colleagues, and countless well-wishers with patience and strength to bear this irreparable loss."He also appealed to everyone to pray for the forgiveness (Maghfirah) of the departed soul.The time and venue of the funeral (Janazah) prayer will be announced later.

এক আলোর অভিযাত্রা : মাওলানা আব্দুল ওয়ারিসের জীবন ও কর্ম


ভূমিকা

ইতিহাসের প্রতিটি যুগেই এমন কিছু মানুষ জন্মগ্রহণ করেন, যাঁদের জীবন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং সমাজ, শিক্ষা, মানবতা ও জনকল্যাণের জন্য তাঁদের নিরলস কর্মপ্রয়াস একটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। এমনই একজন ব্যক্তিত্ব মাওলানা আব্দুল ওয়ারিস—যিনি একাধারে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত একজন আলেম, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, সাংবাদিক, সংগঠক এবং জননেতা। তাঁর জীবন সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, সততা ও মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি বিশ্বাস করেন—"ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসাই একজন নেতার সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন।" এই আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা ও রাজনীতির অঙ্গনে নীরবে কিন্তু দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন।


জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়

মাওলানা আব্দুল ওয়ারিস ১৯৮৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি (প্রথম ফেব্রুয়ারি, উনিশশো তিরাশি) করিমগঞ্জ (তৎকালীন কাছাড় জেলা) জেলার লাফাশাইল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ধর্মীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর পিতা মাওলানা আব্দুর রহমান ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ, নীতিবান ও সমাজহিতৈষী ব্যক্তি এবং মাতা রায়হানা বেগম ছিলেন স্নেহময়ী, আদর্শবান ও ধর্মপরায়ণ নারী। এগারো ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। শৈশব থেকেই তিনি পারিবারিক পরিবেশে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করেন।


শিক্ষাজীবন

তাঁর শিক্ষাজীবন ছিল অধ্যবসায় ও সাফল্যের এক উজ্জ্বল অধ্যায়।

প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় ১৬৮ নং দশনলী মক্তবে, যেখানে তিনি চতুর্থ শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জন করেন।

পরবর্তীতে তিনি ভিতরগোল সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে আলিম ও মাদ্রাসা ফাইনাল সম্পন্ন করেন।

এরপর লক্ষ্মীবাজার হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং কুশিয়ারকুল উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

২০০৫ সালে তিনি দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসা থেকে মুমতাজুল মুহাদ্দিসীন (এম. এম.) ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ২০০৬ সালে বদরপুর এন.সি. কলেজ থেকে স্নাতক (বি.এ.) সম্পন্ন করেন।

এছাড়াও তিনি হিন্দি বিশারদউর্দু ভাষায় ডিপ্লোমা অর্জন করে ভাষা ও সাহিত্যচর্চায়ও নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।


সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চা

কলম তাঁর আরেকটি শক্তি।

২০০৪ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। দৈনিক সোনার কাছাড়, দৈনিক সাময়িক প্রসঙ্গ এবং দৈনিক নববার্তা-এ তাঁর লেখা সংবাদ, বিশ্লেষণ ও সামাজিক প্রতিবেদন পাঠকমহলে প্রশংসিত হয়।

তিনি বিশ্বাস করেন, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।


সমাজসেবা ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান

মাওলানা আব্দুল ওয়ারিসের জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক হলো তাঁর সমাজসেবামূলক কার্যক্রম।

তিনি শিক্ষা বিস্তার, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

তিনি বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে গ্রামীণ সমাজে শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন।

তাঁর কাছে সমাজসেবা কোনো দায়িত্ব নয়—এটি এক ইবাদত।


রাজনৈতিক জীবন

১৯৯৯ সালে ছাত্রজীবনেই তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন এন.এস.ইউ.আই. (NSUI)-এর মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করেন।

পরবর্তীতে তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে ধাপে ধাপে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব লাভ করেন।

তিনি—

  • করিমগঞ্জ জেলা কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • দীর্ঘদিন জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন।
  • ২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অসম সরকারের করিমগঞ্জ জেলা ওবিসি উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
  • ২০২৫ সালে মালেগড় ব্লক কংগ্রেস কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন।

তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি হলো—ধর্ম, বর্ণ ও ভাষা নির্বিশেষে সকল মানুষের সমান অধিকার, উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার।


নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য

একজন সফল নেতার মধ্যে যে গুণাবলি থাকা প্রয়োজন, তার অধিকাংশই মাওলানা আব্দুল ওয়ারিসের ব্যক্তিত্বে প্রতিফলিত হয়।

তিনি বিনয়ী, দূরদর্শী, সাহসী এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ়চেতা। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, সাধারণ মানুষের সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের চেষ্টা করা তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

তিনি বিশ্বাস করেন—

"নেতৃত্ব মানে ক্ষমতা ভোগ নয়; নেতৃত্ব মানে মানুষের বিশ্বাস অর্জন এবং সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষা করা।"


ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ

একজন আলেম হিসেবে তিনি ইসলামের শান্তি, সহনশীলতা, ন্যায়বিচার ও মানবকল্যাণের শিক্ষা সমাজে ছড়িয়ে দিতে সচেষ্ট।

তিনি ধর্মকে বিভাজনের নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির শক্তি হিসেবে দেখেন।


পারিবারিক জীবন

তিনি একজন আদর্শ পারিবারিক মানুষ। বিবাহিত জীবনে তিনি দুই পুত্র ও দুই কন্যাসন্তানের জনক। পরিবার, সমাজ ও কর্মজীবনের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রেখে তিনি দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।


ব্যক্তিত্বের মূল্যায়ন

মাওলানা আব্দুল ওয়ারিস এমন একজন মানুষ, যিনি নীরবে কাজ করতে ভালোবাসেন। প্রচারের আলো নয়, মানুষের কল্যাণই তাঁর মূল লক্ষ্য।

তাঁর জীবন আমাদের শেখায়—

  • সততা মানুষকে মহান করে।
  • শিক্ষা সমাজকে আলোকিত করে।
  • মানবসেবা সর্বোত্তম ইবাদত।
  • নেতৃত্বের প্রকৃত শক্তি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় নিহিত।

উপসংহার

মাওলানা আব্দুল ওয়ারিসের জীবন সংগ্রাম, শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণের এক অনুপ্রেরণামূলক কাহিনি। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি একজন শিক্ষক, সমাজসংস্কারক, মানবসেবক এবং মূল্যবোধনিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।

যতদিন তিনি মানুষের কল্যাণে নিষ্ঠা, সততা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করে যাবেন, ততদিন তাঁর কর্ম ও আদর্শ সমাজে আলো ছড়াবে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

"মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়াই জীবনের সর্বোচ্চ সাফল্য—আর সেই পথেই নিরলস পদচারণা করে চলেছেন মাওলানা আব্দুল ওয়ারিস।"

Thursday, October 2, 2025

Maulana Abdul Waris

Maulana Abdul Waris, President - Malegarh Block Congress Committee, Karimganj, Assam, India. He was the Chairman of Karimganj District OBC Development Board under the Government of Assam from 2015 to 2021. He is also involved in various religious and social organizations. He was the Caretaker of Barak Zone of All Assam Imam Council and Karimganj District President. He is currently working as a Regional Qazi under the North East India Emarat E Shariah and Nadwatut Tameer . Maulana Waris was born on 1st February 1983 in Lafashail village. His father's name is Maulana Abdur Rahman and mother's name is Rayhana Begum. He obtained his M.M. degree with distinction from Deorail Title Madrassa, Badarpur in 2025.

Thursday, July 4, 2024

☆☆☆ সরকারের অবহেলায় কৃত্রিম বন‍্যার দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বৃহত্তর লাফাশাইলবাসীকে ☆☆☆ খরা, ভূমিকম্প, ভূমিস্খলন ও বন‍্যা ইত্যাদি হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কিন্তু বৃহত্তর লাফাশাইল এলাকার জন্য প্রতিবছরের বন‍্যাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা যাবে না। কারণ ২০০৬-০৭ সালে ভারত সরকার যখন লক্ষ্মীবাজার BSF Camp থেকে বর্তমান ২৮ নম্বর গেইট পর্যন্ত সীমান্ত সড়ক ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করে তখন বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ দায়সারা মনোভাব নিয়ে ফ্লাড লেভেল থেকে অনেক নীঁচু করে কাজ সম্পাদন করে। তৎকালীন ডিসি অনুরাগ গোয়েল মহাশয়, ত‍ৎকালীন বিধায়ক মিশন রঞ্জন দাস মহাশয় ও কাজের বরাত প্রাপ্ত সংস্থা NBCC কর্তৃপক্ষের কাছে সড়কটি উঁচু করার দাবি জানালেও কাজের কাজ কিছুই হয় নি। পরবর্তীতে ২০১১ সালে যখন কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ মহাশয় বিধায়ক নির্বাচিত হন তখন এলাকার লোকজন কিছুটা আশা পোষণ করেছিলেন হয়তো বা কিছু একটা হবে। কিন্তু উনারও দু-দুটি কার্যকাল সমাপ্ত হয়ে তৃতীয় কার্যকালের সিংহভাগ সময় অতিবাহিত হলেও সীমান্ত সড়ক উঁচু করার ব‍্যাপারে কোনো ফলপ্রসূ পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয় নি। সীমান্ত সড়ক নির্মানাধীন সময়ের ডিসি অনুরাগ গোয়েল মহাশয় এক্ষেত্রে খলনায়ক হিসেবে অত্র এলাকার জনমানসে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। ২০০৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রতিবছর কুশিয়ারা নদীর জল বিপদসীমা পার করলেই বৃহত্তর লাফাশাইল এলাকার লোকালয়ে সীমান্ত সড়ক ও কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে জল প্রবেশ করে। এ যেন প্রতিবছরের আপদ অতিথি হিসেবে পরিগণিত হতে চলেছে। বরাক উপত‍্যকার আর কোথাও প্রাকৃতিক দুর্যোগ অর্থাৎ বন‍্যা না হলেও লাফাশাইলের জনগণকে এ যেন খাল কেটে কুমির আনা কৃত্রিম বন‍্যার কবলে পড়তে হয়। ফলে প্রতিবছর এ এলাকার বেশিরভাগ মানুষ দারিদ্র্য সীমারেখার নীচে বসবাসকারী ও গরিব কৃষকদের হাজার-হাজার ও লক্ষ-লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, প্রতিবছর নিদেনপক্ষে দুই থেকে তিনবার কুশিয়ারা নদীর জল সীমান্ত সড়ক টপকিয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করে। যার ফলে গরিব মেহনতি মানুষদের একমাত্র মাথা গোজার ঠাই বসত ঘরগুলোও একেবারে দুর্বল হয়ে পড়ে। পাশাপাশি গৃহপালিত পশুদেরও খাদ‍্যাভাব দেখা দেয়। এক্ষেত্রে সরকারি তরফে আংশিক ক্ষয়ক্ষতির কিছুটা ক্ষতিপূরণ প্রদান করলেও তা স্বজন-পোষণের মাধ‍্যমে বণ্টন হয়ে প্রকৃত হিতাধিকারীরা চিরাচরিতভাবে বঞ্চিত থেকেই চলেছেন। প্রসঙ্গত কুশিয়ারা নদীর জল টপকানোর পরপরই মাননীয় বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ মহাশয় উপস্থিত হয়ে প্রতিবছরই জলসম্পদ বিভাগ কর্তৃপক্ষ ও ডিসি মহোদয়কে এলাকা পরিদর্শন করে বিহিত ব‍্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করে এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করিয়ে থাকেন। বিভাগীয় তরফে হাতে গোনা কয়েকটি বস্তা দিয়ে মাটি ভরাট করে পুঁতে রেখে দায় সারেন। এক্ষেত্রে উল্লিখিত এলাকার লাফাশাইল ২য় খণ্ড গ্রাম তথা লক্ষ্মীবাজার জিপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডেই সবগুলো শেষ হয়ে যায়। কিন্তু লাফাশাইল ৩য় খণ্ড গ্রাম তথা লক্ষ্মীবাজার জিপির ১ নম্বর ও ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এর ছিটেফোঁটা দেয়া হয় না। তবে অবশ‍্য সীমান্তে প্রহরারত BSF কর্তৃপক্ষ সব এলাকায় যথেষ্টভাবে সমান সহযোগিতা করে থাকে। যাইহোক, বৃহত্তর লাফাশাইল এলাকার এ জ্বলন্ত সমস‍্যাটি যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন। এ হিসেবে করিমগঞ্জ লোকসভা আসনের মাননীয় সাংসদ কৃপানাথ মাল্লাহ মহাশয়কে আমরা এ বিষয়ে অবগত করালেও তিনি আজ পর্যন্ত এ এলাকায় উনার পা মাড়ান নি। আমি আশাকরি, আমার এ প্রতিবেদন যদি উনার নজরে আসে তবে উনি স্বশরীরে পদার্পণ করে বিহিত ব‍্যবস্থা গ্রহণ করতে সচেষ্ট হবেন। তৎসঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন‍্যা নয় কৃত্রিম বন‍্যার করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করতে মাননীয় সাংসদ মহোদয়ের কাছে বৃহত্তর লাফাশাইলবাসীর পক্ষ থেকে জোরালো দাবি জানাচ্ছি।Kripanath Mallah

☆☆☆ সরকারি অবহেলায় প্রতিবছর কৃত্রিম বন‍্যার দুর্ভোগ পোহাতে হয় বৃহত্তর লাফাশাইলবাসীকে ☆☆☆



খরা, ভূমিকম্প, ভূমিস্খলন ও বন‍্যা ইত্যাদি হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কিন্তু বৃহত্তর লাফাশাইল এলাকার জন্য প্রতিবছরের বন‍্যাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা যাবে না। কারণ ২০০৬-০৭ সালে ভারত সরকার যখন লক্ষ্মীবাজার BSF Camp থেকে বর্তমান ২৮ নম্বর গেইট পর্যন্ত সীমান্ত সড়ক ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করে তখন বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ দায়সারা মনোভাব নিয়ে ফ্লাড লেভেল থেকে  অনেক নীঁচু করে কাজ সম্পাদন করে। তৎকালীন ডিসি অনুরাগ গোয়েল মহাশয়, ত‍ৎকালীন বিধায়ক মিশন রঞ্জন দাস মহাশয়  ও কাজের বরাত প্রাপ্ত সংস্থা NBCC কর্তৃপক্ষের কাছে সড়কটি উঁচু করার দাবি জানালেও কাজের কাজ কিছুই হয় নি। পরবর্তীতে ২০১১ সালে যখন কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ মহাশয় বিধায়ক নির্বাচিত হন তখন  এলাকার লোকজন কিছুটা আশা পোষণ করেছিলেন হয়তো বা কিছু একটা হবে। কিন্তু  উনারও দু-দুটি কার্যকাল সমাপ্ত হয়ে তৃতীয় কার্যকালের সিংহভাগ সময় অতিবাহিত হলেও সীমান্ত সড়ক উঁচু করার ব‍্যাপারে কোনো ফলপ্রসূ পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয় নি। সীমান্ত সড়ক নির্মানাধীন সময়ের ডিসি অনুরাগ গোয়েল মহাশয় এক্ষেত্রে খলনায়ক হিসেবে অত্র এলাকার জনমানসে চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। ২০০৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রতিবছর কুশিয়ারা নদীর জল বিপদসীমা পার করলেই বৃহত্তর লাফাশাইল এলাকার লোকালয়ে সীমান্ত সড়ক ও কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে জল প্রবেশ করে। এ যেন প্রতিবছরের আপদ অতিথি হিসেবে পরিগণিত হতে চলেছে। 
              বরাক উপত‍্যকার আর কোথাও প্রাকৃতিক দুর্যোগ  অর্থাৎ বন‍্যা না হলেও লাফাশাইলের জনগণকে এ যেন খাল কেটে কুমির আনা কৃত্রিম বন‍্যার কবলে পড়তে হয়। ফলে প্রতিবছর এ এলাকার বেশিরভাগ মানুষ দারিদ্র্য  সীমারেখার নীচে বসবাসকারী ও গরিব কৃষকদের হাজার-হাজার ও লক্ষ-লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। 
                উল্লেখ্য, প্রতিবছর নিদেনপক্ষে দুই থেকে তিনবার কুশিয়ারা নদীর জল সীমান্ত সড়ক টপকিয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করে। যার ফলে গরিব মেহনতি মানুষদের  একমাত্র মাথা গোজার ঠাই বসত ঘরগুলোও একেবারে দুর্বল হয়ে পড়ে। পাশাপাশি গৃহপালিত পশুদেরও খাদ‍্যাভাব দেখা দেয়। এক্ষেত্রে সরকারি তরফে আংশিক ক্ষয়ক্ষতির  কিছুটা ক্ষতিপূরণ প্রদান করলেও তা স্বজন-পোষণের মাধ‍্যমে বণ্টন হয়ে প্রকৃত হিতাধিকারীরা চিরাচরিতভাবে বঞ্চিত থেকেই চলেছেন। প্রসঙ্গত কুশিয়ারা নদীর জল টপকানোর পরপরই মাননীয় বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ  মহাশয় উপস্থিত হয়ে প্রতিবছরই জলসম্পদ বিভাগ কর্তৃপক্ষ  ও ডিসি মহোদয়কে এলাকা পরিদর্শন করে বিহিত ব‍্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করে এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করিয়ে থাকেন। বিভাগীয় তরফে হাতে গোনা কয়েকটি বস্তা দিয়ে মাটি ভরাট করে পুঁতে রেখে দায় সারেন। এক্ষেত্রে  উল্লিখিত এলাকার লাফাশাইল ২য় খণ্ড গ্রাম তথা লক্ষ্মীবাজার জিপির ৪ নম্বর  ওয়ার্ডেই সবগুলো শেষ হয়ে যায়। কিন্তু লাফাশাইল ৩য় খণ্ড গ্রাম তথা লক্ষ্মীবাজার জিপির ১ নম্বর  ও ২ নম্বর  ওয়ার্ড এলাকায় এর ছিটেফোঁটা দেয়া হয় না। তবে অবশ‍্য সীমান্তে প্রহরারত BSF কর্তৃপক্ষ সব এলাকায় যথেষ্টভাবে সমান সহযোগিতা করে থাকে। 
            যাইহোক, বৃহত্তর লাফাশাইল এলাকার এ জ্বলন্ত সমস‍্যাটি যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন। এ হিসেবে করিমগঞ্জ লোকসভা আসনের মাননীয় সাংসদ কৃপানাথ মাল্লাহ মহাশয়কে আমরা এ বিষয়ে  অবগত করালেও তিনি আজ পর্যন্ত  এ এলাকায়  উনার পা মাড়ান নি। আমি আশাকরি, আমার এ প্রতিবেদন যদি উনার নজরে আসে তবে উনি স্বশরীরে পদার্পণ করে বিহিত ব‍্যবস্থা গ্রহণ করতে সচেষ্ট হবেন। তৎসঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন‍্যা নয় কৃত্রিম বন‍্যার করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করতে মাননীয় সাংসদ মহোদয়ের কাছে বৃহত্তর লাফাশাইলবাসীর পক্ষ থেকে জোরালো দাবি জানাচ্ছি।
Kripanath Mallah