Monday, August 17, 2020

*বর্তমান* *মুসলিমদের* *অধঃপতনের*মূল*কারণ*🥏🥏🥏🥏🥏🥏জাষ্টিস আল্লামা তাক্বী উসমানী দাঃ বাঃ★★★★★★”★★★★


  উম্মতে মুসলিমা কুরআনুল কারীমকে পিছে ঠেলে দিয়েছে। কুরআনুল কারীম ছেড়ে দিয়েছে। কুরআন কারীম তার ছেড়ে দিয়েছে মানে- (ক) তার তিলাওয়াত ছেড়ে দিয়েছে- যেভাবে তিলাওয়াত করা উচিত ছিল। (খ) এর অর্থ বোঝার চেষ্টা ছেড়ে দিয়েছে এবং (গ) এতে যেই তালীম ও শিক্ষা রয়েছে তার উপর আমল করা ছেড়ে দিয়েছে। কুরআন ছেড়ে দেওয়ার মাঝে এই তিন অর্থ নিহিত রয়েছে।

কুরআনে কারীমের তিলাওয়াত একটি স্বতন্ত্র আমল
কুরআনুল কারীমের হুকূক আদায়ের সর্বপ্রথম সিঁড়ি হচ্ছে কুরআনে কারীমের তিলাওয়াত। অর্থাৎ মুসলমান এর তিলাওয়াত করবে। যদিও কুরআনুল কারীম অবতরণের মূল উদ্দেশ্য হল- কুরআনুল কারীমের মাঝে যে তালীমাত রয়েছে সেগুলো আমলে নিয়ে আসা। কিন্তু এর প্রথম ধাপ হচ্ছে তিলাওয়াত। তিলাওয়াতে কুরআন আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এমন মহান এক নুসখা যে, কুরআনে কারীমের শুধু তিলাওয়াতটিই একটি স্বতন্ত্র ইবাদত এবং বড় সৌভাগ্যের বিষয়। হাদীসে বলা হয়েছে- কুরআন কারীম তিলাওয়াত করলে প্রতিটি অক্ষরে দশ দশ করে নেকী পাওয়া যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো ব্যাখ্যা করে বলেন, আমি একথা বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি স্বতন্ত্র হরফ এবং লাম একটি স্বতন্ত্র হরফ এবং মীম একটি স্বতন্ত্র হরফ- তো শুধু আলিফ-লাম-মীম তিলাওয়াত করার মাধ্যমে ত্রিশ নেকী অর্জিত হয়ে যায়।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এমন নুসখায়ে শেফা- যা মূলত হেদায়েতের নুসখা- দান করেছেন, যার কোনো তুলনা হয় না। ডাক্তারের নুসখা তো এমন হয় যে, ডাক্তার বলে দেন- এটা হল তোমার ব্যবস্থাপত্র। এ অনুযায়ী তুমি ওষুধ সংগ্রহ করে ব্যবহার করবে। কিন্তু এখন যদি তুমি সেই প্রেসক্রিপশন সারা দিন পড়তে থাক, তাহলে এতে কোনো ফায়দা নেই। তোমার রোগ এতটুকুও ভালো হবে না। কিন্তু এই নুসখায়ে শেফা এতটাই মুফীদ ও উপকারী যে, এর উপর আমল করা এবং এর অর্থ-মর্ম অনুধাবন করা যদিও একেকটি স্বতন্ত্র আমল এবং বড় বড় আমল। তবে এগুলোর সাথে সাথে শুধু এর তিলাওয়াতটাই একটি স্বতন্ত্র আমল।

এজন্য মুসলিম সমাজের একটা ঐতিহ্য এও ছিল যে, দৈনিক কিছু না কিছু তিলাওয়াত করা ব্যতীত পুরোটা দিন কাটিয়ে দিবে- এমন মুসলমান পাওয়া যেত না। সাধারণত ফজরের পর মুসলিম ঘরগুলো থেকে তিলাওয়াতের ধ্বনি ভেসে আসত। মুসলিম সমাজের এটা একটা বড় ইমতিয়ায ও বৈশিষ্ট্য ছিল। মুসলিম বসতিতে গেলে মানুষ বুঝে ফেলত যে, এটা মুসলিম জনপদ এবং এখানকার ঘরগুলো তিলাওয়াতে কুরআনে মুখরিত হয়ে আছে।

তো হযরত রাহ. বলেন- মুসলমান এই আমল ছেড়ে দিয়েছে।  দৈনিক কিছু হলেও তিলাওয়াত করার যে রুটিন মুসলিম জীবনে ছিল, অনেকেই বরং বলা যায় অধিকাংশ মুসলিমই তা ছেড়ে দিয়েছে।

তিলাওয়াত ছেড়ে দেওয়ার একটা বড় কারণ এও যে, অনেক মুসলমান তিলাওয়াতটাই শিখেনি। বড় বড় পদ ও পদবীর অধিকারী হয়ে গেছে। বড় লিডার বনে গেছে। আমীর হয়ে গেছে। সমাজের মান্যগণ্য ব্যক্তি হয়ে গেছে। এতকিছু হয়ে গেছে, কিন্তু মুসলমান কুরআন শরীফ স্বাভাবিকভাবে পড়তে শেখেনি। তাহলে তিলাওয়াত করবে কীভাবে?! বহুত আফসোসের কথা!!

একটি ভুল ধারণা
সমাজে একটি মারাত্মক ভুল ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়- ভাই, কুরআন তো এজন্য এসেছে যে, তুমি এটা বুঝবে এবং এর উপর আমল করবে। শুধু তিলাওয়াতে কী ফায়দা? এটা মস্ত বড় ভুল ধারণা।

আমি তো মাত্রই রাসুলুল্লাহ সা. এর হাদীস শোনালাম- কুরআন তিলাওয়াত করলে প্রতিটি হরফে দশটি করে নেকী হাসিল হয়। আর যে ব্যক্তি তিলাওয়াতই জানে না, তিলাওয়াত করার অভ্যাসই যার নেই, সে এর উপর কী আমল করবে! কুরআনের কাছে আসার প্রথম ধাপই তো হল তিলাওয়াতে কুরআন।

তো হযরত শাইখুল হিন্দ রাহ. -আল্লাহ তাআলা তাঁর মরতবা বুলন্দ করুন- বলেছেন, এই কুরআনকে ছেড়ে দেওয়া- অর্থাৎ ক. তিলাওয়াত ছেড়ে দেওয়া, খ. এর অর্থ ও মর্ম অনুধাবন করা ছেড়ে দেওয়া এবং গ. এর শিক্ষা অনুসারে আমল ছেড়ে দেওয়া- এগুলো মুসলমানদের অধঃপতনের একটা মৌলিক কারণ।

হযরত বলেন- এজন্য আমি আমার বাকি জীবন এই কুরআনের খেদমতেই ব্যয় করব, ইনশাআল্লাহ। অর্থাৎ কুরআনে কারীমের তালীম আম ও ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর করব। এ কল্পে হযরত পুরো হিন্দুস্তান জুড়ে মক্তব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। অনেক মক্তব প্রতিষ্ঠাও করেন, যাতে সবাই দ্বীন শিখতে পারে ✍🏽

Thursday, August 13, 2020

১৫ ই আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস



ভারতের স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় পনেরোই আগস্ট তারিখে। ১৯৪৭ সালে এই তারিখেই ভারত ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল। দিনটি ভারতে একটি জাতীয় ছুটির দিন। সারা দেশে স্থানীয় প্রশাসন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে। দেশের প্রধান অনুষ্ঠানটি হয় দিল্লির লালকেল্লায়। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী পতাকা উত্তোলন করে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। সেই সঙ্গে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতা ও শহিদদেরও শ্রদ্ধা জানান।

পটভূমি

১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রভাবে ব্রিটেনের রাজকোষ শূন্য হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় ব্রিটেনের পক্ষে অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক কোনও রকম সাহায্য লাভ অসম্ভব হয়ে পড়ে। ব্রিটেনের লেবার সরকার বুঝতে পারে সেই পরিস্থিতিতে ভারতে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতাকে সামাল দেওয়ার ক্ষমতা বা অর্থবল ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী হারিয়ে ফেলেছে। তাঁরা ভারতে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৪৭ সালের গোড়ার দিকে ব্রিটিশ সরকার ঘোষণা করে দেয় যে, ১৯৪৮ সালের জুন মাসের মধ্যে ভারতের শাসনক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।

স্বাধীনতা ঘোষণার সময় যত এগিয়ে আসতে থাকে, পাঞ্জাব ও বাংলা প্রদেশের হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তত বৃদ্ধি পায়। দাঙ্গা রোধে ব্রিটিশ বাহিনীর অক্ষমতার কথা মাথায় রেখে ভারতের তদানীন্তন ভাইসরয় লুইস মাউন্টব্যাটেন ক্ষমতা হস্তান্তরের দিনটি সাত মাস এগিয়ে আনেন। ১৯৪৭ সালের জুন মাসে জওহরলাল নেহরু, আবুল কালাম আজাদ, মহম্মদ আলি জিন্নাহ, ভীমরাও রামজি আম্বেডকর প্রমুখ জাতীয়তাবাদী নেতৃবৃন্দ ধর্মের ভিত্তিতে ভারত বিভাগের প্রস্তাব মেনে নেন। হিন্দু ও শিখ সংখ্যাগুরু অঞ্চলগুলি ভারতে ও মুসলমান সংখ্যাগুরু অঞ্চলগুলি নবগঠিত রাষ্ট্র পাকিস্তানে যুক্ত হয়; পাঞ্জাব ও বাংলা প্রদেশ দ্বিখণ্ডিত হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ হয় ছিন্নমূল। তাঁরা দলে দলে র‌্যাডক্লিফ লাইন পেরিয়ে নিজেদের পছন্দমতো দেশে আশ্রয় নেন। বেশির ভাগ মানুষই চোখের জলে নিজেদের দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। পঞ্জাবে শিখ অঞ্চলগুলি দ্বিখণ্ডিত হওয়ায় রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা হয়। দাঙ্গা হয় বাংলা ও বিহারেও। তবে সেখানে মহাত্মা গান্ধীর উপস্থিতি দাঙ্গার প্রকোপ কিছুটা প্রশমিত করতে সক্ষম হয়েছিল। তা সত্ত্বেও ২৫০,০০০ থেকে ৫০০,০০০ লোক সীমান্তের দুই পারের দাঙ্গায় হতাহত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট নতুন পাকিস্তান জন্ম নেয়। করাচিতে মহম্মদ আলি জিন্নাহ এই রাষ্ট্রের প্রথম গভর্নর-জেনারেল হিসেবে শপথ নেন। মধ্যরাতে অর্থাৎ, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট সূচিত হলে জওহরলাল নেহরু তাঁর বিখ্যাত ‘নিয়তির সঙ্গে অভিসার’ ভাষণটি প্রদানের মাধ্যমে ভারতের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ভারতীয় ইউনিয়নের জন্ম হয়। নতুন দিল্লিতে নেহরু ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী রূপে কার্যভার গ্রহণ করেন। মাউন্টব্যাটেন হন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর-জেনারেল।

উদযাপন

১৫ আগস্ট দিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। অনুষ্ঠানটি জাতীয় চ্যানেল দূরদর্শনের সাহায্যে সারা দেশে সম্প্রচারিত হয়। রাজ্য রাজধানীগুলিতেও পতাকা উত্তোলন সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অন্যান্য শহরে রাজনৈতিক নেতৃবর্গ নিজ নিজ কেন্দ্রে পতাকা উত্তোলন করেন। নানা বেসরকারি সংস্থাও পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। স্কুল-কলেজেও পতাকা উত্তোলন ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা এই উপলক্ষে বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সাজপোশাক পরে শোভাযাত্রা করে।

Monday, June 29, 2020

یا رب العالمین ان بزرگوں کی قبرکو جنگ کی باغ بنا دیجیءے

*زمانہ لاک ڈاؤن میں  اس دار فانی کو الوداع کہہ کر امت کو یتیم کر کے اپنی حقیقی مولا کی آغوشِ رحمت میں جا ملنے والے علماء کرام* 
(١)شیخ الحدیث حضرت مولانا مفتی سعید احمد صاحب پالنپوری رحم اللہ
(٢)حضرت مولانا حفظ الرحمان صاحب کاکوسی رحمہ اللہ
(٣)حضرت مولانا وسیم صاحب گنگوہی رحمہ 
(٤)حضرت مولانا عبد الرحیم صاحب فلاحی رحمہ اللہ
(٥)حضرت شیخ سرفراز صفدر رحمہ اللہ                                (٦)حضرت مولانا عرفان صاحب فروزپوری رحمہ اللہ
(٧)حضرت مولانا احمد صاحب پٹنی رحمتہ
(٨) حضرت مولانا یوسف جمیل صاحب  آندھر پردیش رحمہ اللہ
(٩)حضرت مولانا عبد الوحید صاحب گونڑوی رحمہ اللہ
(١٠)مولانا الیاس صاحب مظاہری رحمہ
(١١)حضرت مولانا الحاج صاحب قاسمی رحمہ اللہ
(١٢)حضرت مولانا موسی قاضی صاحب رحمہ اللہ
(١٣)حضرت مولانا ابو الکلام صاحب قاسمی رحمہ اللہ
(١٤)حضرت ڈاکٹر خالد محمود صاحب رحمہ اللہ
(١٥)حضرت مولانا راشد صاحب پالنپوری رحمہ اللہ 
(١٦)حضرت مولانا یوسف صاحب رحمۃ اللّٰہ علیہ بودھانیہ سابق استاذ جامعہ اشرفیہ راندیر
(١٧)شیخ راشد الحقان صاحب رحمۃ اللّٰہ 
(١٨)دارالعلوم مدنیہ بہاول پور کے پہلے فاضل مولانا عبد العزیز رحمہ اللہ
(١٩)شیخ طریقت مولانا عبد الہادی خلیفہ مجاز مولانا عبد الکریم بیر شریف کوئٹہ رحمہ اللہ
(۲۰) مولانا عبد المہیمن قریشی رحمہ اللہ
(٢١)خواجہ محمد اسلام رحمہ اللہ 
(٢٢)معروف خطیب مولانا عبید الرحمن ضیاءرحمہ اللہ
(٢٣)جامعہ حنفیہ جہلم کے قدیم استاذ  حضرت قاری عتیق الرحمن جہلم رحمہ اللہ
(٢٤)تلمیذ بنوری مولانا ہارون عباس رحمہ اللہ جنوبی افریقہ
(٢٥) دارالعلوم کراچی کے قدیم استاذ حکیم عزیز الرحمن رحمہ اللہ 
(٢٦) مفسر قرآن صوفی عبد الحمید سواتی رحمہ اللہ کی اہلیہ محترم
(٢٧) مولانا غلام اللہ خان لاہور کے والد مولانا صبغت اللہ رحمہ اللہ
(٢٨)معروف حنفی محقق مولانا عبد القیوم رحمہ اللہ 
(٢٩)جامعہ بنوریہ ٹاؤن کے قدیم استاذ مولانا قاری نسیم الدین رحمہ اللہ 
(٣٠)حضرت ڈاکٹر عبد المقیم رحمہ اللہ 
(٣١)خلیفہ حضرت حکیم اختر مولانا نعیم اختر
(٣٢)شیخ الحدیث مولانا عبد الرؤوف پنڈی
(٣٣)قاطع رافضیت مجاہد اہل سنت مولانا عبد اللہ قاسمی لاہوری
(٣٤)قائد برطانیہ مرکزی رہنماجمعیۃ علماء برطانیہ حضرت قاری تصور الحق مدنی رحمہ اللہ 
(٣٥)پیر طریقت حضرت خواجہ عزیز احمد بہلوی رحمہ اللہ
(٣٦)جامعہ نظامیہ بہاول پور کے بانیو مہتمم مولانا شمس الدین انصاری رحمہ اللہ 
(٣٧)جامعہ بنوریہ کراچی کے بانی،رئیس وشیخ الحدیث مولانا مفتی محمد نعیم رحمہ اللہ 
(٣٨) مولانا عزیز الرحمن ہزاروی پاکستانی ،اسلامی اسکالر اور جامعہ دارالعلومزکری اسلام آباد کے صدر رحمہ اللہ 
(٣٩)محدث اعظم پاکستان یادگار اسلاف قبلہ پیر سید صادق حسین شاہ رحمہ اللہ
( ۴۰) حضرت مولانا عبدالقادر صاحب امیر تبلیغ جماعت تمل نا ڈو 
( ۴۱)شیخ الحدیث مولانا عبدالقادرصاحب امیر تبلیغ جماعت برما ( میانمار)
(42)حضرت مولانا عبدالشکور صاحب محدث الجامعہ العربیہ الاسلامیہ بدرپور آسام 
(😭کڑے سفر کے تھکے مسافر"  تھکے ہیں ایسا کہ سو گۓ ہیں😭خود اپنی آنکھیں تو بند کر لی" ہر آنکھ لیکن بھیگو گۓ ہیں😭                                       *إِنَ لِلّهِ وَإِنَّـا إِلَيْهِ رَاجِعونَ*‎
*عظم الله أجركم و أحسن عزاءكم وغفر لميتكم وأسكنه الفردوس الأعلى من الجنة*
(یہ فہرست اپنے علم کے مطابق تحریر کی کچھ نام چھوٹ گئے ہوں)

Sunday, June 28, 2020

আমি একজন ইমাম


আমি একজন ইমাম
চ্যালেন্জ করছি আজ
দেখাও আমায় আমার মতো
কে করে আর কাজ?

আমার অফিস শুরু হয়
যখন ভোর রাত
রাত্র নয়টায় বন্ধ করলেও
শুনি কটু বাত 

নারী করে এক স্বামীর ঘর
আমার কি  আছে শেষ 
যে না পারে সে-ও এসে
নানা সময় করে আদেশ 

একটি অফিস আছে কি এমন
ঘড়ি দেখে কাজ চলে?
একটি মিনিট এদিক হলেই,
আমায় কটুকথা বলে 

সব অফিসারের শত ভুলেও
নেই যে কারো কোন দৃষ্টি 
আমার একটু ভুল হলেই
ঝরে আল্লাহু আকবার বৃষ্টি 

অফিসারের বেতন কতো?
সেটা না-হয় বাদই দিলাম
পিয়ন যিনি তার বেতনটা
বুঝার জন্য তোলে নিলাম

মাস পার হলে বেতন হাজার
বিশ না হলেও কাছাকাছি 
সে খবর কি রাখে কেহ?
আমরা কিভাবে বেঁচে আছি?

বলবে হয়তো সম্মান বেশি
তাতে কি আর পেট ভরে? 
হাট-বাজারে,ঔষধের দোকানে
আমাদের কি কেউ দয়া করে?

ইংরেজি আর অংক স্যারের
মাইনেটা আসে হলুদ খামে
কুরআন শিক্ষার পঞ্চাশ টাকা
দিতে গেলেই শরীর ঘামে

জন্ম হলে আযানটা দেই
যৌবনে দেই বিয়ে
মরার পরে গোসলটা দেই
সাবান লোবান দিয়ে 

সাদা কাপড়ের কাফনটা দেই
জানাজা দেই মাঠে
কবরেতে সাওয়াবটা দেই
আমরাই কুরআন পাঠে

এমন একজন দেখাও তোমার
সকল কাজে লাগে?
রমজান মাসে নিশি রাতে
তোমার জন্য জাগে? 

এবার বলি আরও একটা
মোদের দুঃখের কথা
কেউ ভাবেনা কেউ দেখেনা
মোদের এ সব ব্যথা

সকল কাজে ছুটি আছে
আমার কাজে নাই
বাড়ি গেলেও নামাজ কি আর
মাফ আছে রে ভাই? 

চাকরিতে যা ছুটিতেও তা
এটার নাম কি ছুটি? 
ভাগ্য দোষে কাতল মাছ আজ
হলাম চুনোপুঁটি 

আল কুরআনের সুরা তওবার
আঠারো নম্বর আয়াত
থাকলে চালু হতাম কি আর
মসজিদ কমিটির বায়াত?

কুরআন ছাড়ায় পোড়াচ্ছে আজ
জ্বালাচ্ছে সবখানে 
পরকালেও জ্বালাবে এ আগুন
তাই চলি সাবধানে।।

Wednesday, June 17, 2020

ভাষা আন্দোলনে মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী (রহঃ) এর অবদান ।



ভাষা আন্দোলন আসাম তথা বরাকের সর্ববৃহৎ গণ আন্দোলন । এই আন্দোলন সর্বাত্মক সার্থক ও সফল আন্দোলন । আন্দোলনকে সফলতার চরম শিখরে পৌঁছাতে যে ক'জন বিপ্লবী নেতা জীবন বাজি রেখে  লড়েছিলেন,তন্মধ্যে অন্যতম মাতৃভাষাব্রতী, সিংহপুরুষ মওলানা আব্দুল জলীল চৌধুরী । তাঁর অবদান কস্মিনকালেও ভুলা সম্ভব নয়।

 ১৯৬০ সালের ১০ ডিসেম্বর তৎকালীন চলিহা সরকারের মন্ত্রীসভা আসাম সরকারী ভাষাবিল পেশ করেছিল ,যা একমাত্র সংখ্যার  জোরে ২৪ ডিসেম্বর ১৯৬০ সালে আইন হিসাবে পাশ করে নেয় । এই আইন অসমীয়া ভাষাকে আসামের একমাত্র সরকারী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে ‌। যেটা আসামের বাঙালীদের ভাবাবেগে চরম আঘাত দেয় । এই আইন‌ প্রতিরোধ করতে প্রতিবাদে বরাক উপত্যকার কংগ্রেস দল একজোট হয়ে উঠে । সঙ্গে অন্যান্য সামাজিক সংগঠনও। কালক্রমে ১৫ জানুয়ারী ১৯৬১ সালে অনুষ্ঠিত জনসম্মেলনের মাধ্যমে "কাছাড় সংগ্রাম পরিষদ '' গঠিত‌ হয় । এই পরিষদের সভাপতি ছিলেন তরুণ এডভোকেট আব্দুর রাহমান চৌধুরী । সংগ্রাম কমিটি বাংলা ভাষার স্বীকৃতি আদায়ের জন্য জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলে । অপরদিকে সরকারের পরোক্ষ মদতপুষ্ট কতিপয় স্বার্থান্বেষী, মানুষদের আন্দোলন থেকে দূরে ঠেলতে থাকে । চালাতে থাকে বরাকের অলিতে-গলিতে অপপ্রচার । দেখাতে থাকে অহেতুক ভয়ভীতি । গ্রামাঞ্চলের সরলমনা মানুষ এই দুষ্টচক্রের অপপ্রচারে প্রভাবিত হয় এবং অসমীয়া ভাষার পক্ষে সওয়াল করে । আন্দোলন স্তব্ধ হওয়ার উপক্রম ।

 এহেন বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে আসেন জননেতা আব্দুল জলীল চৌধুরী । তিনি বরাকের মানুষদের আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করতে বরাকের নানা প্রান্তে সভা-সমিতি করেন । তাঁর জ্বালাময়ী ভাষণে দিশেহারা মানুষের ভ্রান্ত ধারণা বিদূরিত হয় । তিনি গণিরগ্রাম জে, আর হাইয়ার সেকেণ্ডারী স্কুলে এক প্রতিবাদী সভায় মাতৃভাষা প্রসঙ্গে বলেন, আমি মাত্র আপনাদের কাছে একটা কথা জানতে চাই "আপনারা কাহারা নিজের মাকে ভুলিতে পারিবেন ? " তখন সকলে এক বাক্যে বলিলেন তা কখনো হতে পারে না । তিনি লোকজনের আওয়াজ শুনে বলিলেন, ''তাহা  হইলে আমি আব্দুল জলীল সরকারের একজন হওয়া সত্বেও বলিতেছি যে আমরা বাংলাবাসী লোক ,আমাদের মায়ের ভাষা বাংলা ,আমি এক মুহূর্তের জন্য আমার মায়ের মুখ বন্ধ করিতে চাই না।" তখন উপস্থিত সবাই বলে উঠলেন "চাই না, চাই না ''। সেদিন থেকে‌ পশ্চিম কাছাড় অঞ্চলে জোরদমে আন্দোলন শুরু হয় । কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় , সভা-সমিতি করতে অনেক বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হন । আক্রান্ত হন অনেকবার । গাড়িতে ইট পাটকেল বর্ষণ হয় একাধিকবার । প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় । শালচাপড়ার এক সভা থেকে আসার পথে প্রাণঘাতী হামলার শিকার হন  । তারপরও বিচলিত হননি ।এক ইঞ্চিও পিছু হটেননি এ বীর যোদ্ধা । বরং পুরোদমে চালাতে থাকেন সভা-সমিতি, আন্দোলন । 

তাঁরই শক্তিশালী নেতৃত্বে উজ্জীবিত হয়ে ১৯৬১ সালের ১৯ মে প্রাণ দিতে ও কুন্ঠাবোধ করেননি ১১ জন ভাষা সেনানী। কিন্তু এ বীর শহিদদের নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর প্রতিক্রিয়া ইতিহাসের পাতায় কালো‌ অক্ষরে লেখার মতো । শোক প্রকাশ তো দূরের কথা উল্টো বলে বসেন , " যারা রেল ষ্টেশনে অগ্নিসংযোগ করায় তাদের পুলিশ গুলি করবে না তো ফুল ছিটাবে কি !" তাঁর এ মন্তব্যে তোলপাড় হয় গোটা উপত্যকা ।  তখন এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী রাজনীতিবিদ,সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করার অপপ্রচেষ্টা চালায় ‌। মওলানা জলীল সাহেবের তৎপরতায় কিন্তু তা সম্ভবপর হয়নি । সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখতে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা বরাকের ইতিহাসে জাজ্বল্যমান থাকবে । থাকবে চিরস্মরণীয় ।  তিনি বলেছিলেন , "ভাই সকল,আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে যারা চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের  আন্দোলন, আমাদের এই আন্দোলন অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলন । " তিনি উদ্বাত্ত কন্ঠে বলেছিলেন , "ভাষিক সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা কোন শক্তির নাই । '' তাঁর অগ্নিগর্ভ ভাষণে বরাক উপত্যকায় সৃষ্টি হয়েছিল এক সাম্প্রদায়িকতামুক্ত আন্দোলন । তাঁর এ মন্ত্রে দীক্ষিত হন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল বাঙালী ।  রাজ্য সরকার ব্যর্থ হয়েছিল সাম্রাজ্যবাদী  কায়দায় Divide & Rule নীতি অনুসরণ করে বরাক উপত্যকার মানুষকে সাম্প্রদায়িকভাবে বিভাজন করতে । 
   
 আন্দোলনের গতিবিধি অপ্রতিরোধ্য অনুধাবন করে প্রধানমন্ত্রী নেহরু তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাস্ত্রীকে আসামে পাঠান । অবস্থা পর্যালোচনাক্রমে শাস্ত্রীজি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মত বিনিময়ের উদ্দেশ্যে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে দিল্লির আমন্ত্রণ জানান । প্রতিনিধিদলে ছিলেন আসামের প্রাক্তন মন্ত্রী মরহুম আলতাফ হুসেন মজুমদার‌, মওলানা আব্দুল জলীল চৌধুরী ও করিমগঞ্জের রথীন্দ্রনাথ সেন । প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর দরবারে হাজির হন । তখন প্রধানমন্ত্রী চটে লাল হয়ে বলেন, আপনারাই বোধহয় কাছাড়ের ১১ জন বাঙালির খুনি ? একথা শোনা মাত্র সবাই কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলেন। কিন্তু একমাত্র ব্যতিক্রমী চরিত্র মওলানা আব্দুল জলীল চৌধুরী । তিনি  বলেন," ১১ জন কেন ? আমাদের সংগ্রামের নৈতিকতা বিচার করে আমাদের বাংলা ভাষার অধিকার না দিলে আসামের সমগ্র বাঙালি মানুষ প্রাণ দিতে বিচলিত হব না ।''

 বিরোচিত জবাব শুনে প্রধানমন্ত্রী তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দেন। শাস্ত্রীর সাথে আলোচনার পর দশ বছরের জন্য অসমীয়া ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষা চালু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং পুলিশের গুলিচালনার তদন্তের জন্য মেহেরাত্রা কমিশন গঠিত হয় । মেহেরাত্রা কমিশনের রিপোর্টের অপেক্ষায় আজও জাতি অপেক্ষমান । 
  
 দশ বছর পূর্তিতে ১৯৭২ সালে সেবা আসামের সমগ্র মাধ্যমিক স্কুলসমূহে অসমীয়া ভাষা বাধ্যতামূলক করতে নির্দেশ জারি করে। আবার জ্বলে উঠে বরাক । গর্জে উঠেন আন্দোলনকারী । গঠন করেন সংগ্রাম পরিষদ । বরাক উপত্যকার সকল নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনে নেতৃত্বের জন্য মওলানা চৌধুরীকে অনুরোধ করেন । তাদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে শাসক দলের বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে পরিচালিত ভাষা আন্দোলনের সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের সভাপতির গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেন । সংগ্রাম পরিষদের কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত হন অধ্যাপক মেহরাব আলি লস্কর এবং সম্পাদক হন তারাপদ ভট্টাচার্য । 

    মওলানা সাহেবের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পরিচালিত এ আন্দোলনে প্রায় দু-মাস সরকারি কাজকর্ম অচল হয়ে পড়ে । ইতিমধ্যে আসাম বাজেট অধিবেশন আরম্ভ হয় । সংগ্রাম পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরাক উপত্যকার মন্ত্রী সহ কোন বিধায়ক অধিবেশনে উপস্থিত না হয়ে অধিবেশন বয়কট করার অনুরোধ জানানো হয় । কিন্তু গদির লালসা মওলানা চৌধুরী ও সরবরাহ মন্ত্রী মহীতোষ পুরকায়স্ত ব্যতিত কাউকে আটকাতে পারেনি । এমনকি পুরকায়স্তবাবু মন্ত্রিপদ খুইয়ে বসেন । 


 অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে‌ সি পন্থের আহ্বানে, মওলানা সাহেবের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সংগ্রামী নেতৃ্বৃন্দ শিলঙে একটি গোল টেবিল বৈঠক করেন । সেই গোল টেবিল বৈঠকেই ঐতিহাসিক ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা "সিংহ -পন্থ -জলীল" চুক্তি নামে পরিচত । মওলানা আব্দুল জলীল আন্দোলন পরিষদের সভাপতি হিসাবে, শরৎচন্দ্র সিংহ আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে সি পন্থ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন । এছাড়াও আরও দশজন সাংসদ ও বিধায়ক এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন  ।এই চুক্তির শর্তানুসারে মাধ্যমিক অবধি অসমীয়ার সঙ্গে বাংলা ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় । এই চুক্তির সুবাদে আজও বরাক উপত্যকায়‌ ছাত্র-ছাত্রীরা‌‌ মাতৃভাষা বাংলার মাধ্যমে লেখাপড়ার সুযোগ ভোগ করছে ।

  প্রতিবছর ১৯ মে ভাষা শহিদ দিবস হিসাবে পালন করা হয় ।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় ,যাঁর নেতৃত্বে এত বড় একটি গণ-আন্দোলন হয়েছিল ,যার ফলস্বরূপ আমরা পেয়েছি বাংলা ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম হিসাবে ,তাঁর যথোপযুক্ত মূল্যায়ন হয় না সেই শহিদ দিবসে ।

Monday, June 15, 2020

উনিই হচ্ছেন মাওলানা তারিক জামিল



পাকিস্তানের মুলতানের এক বাজারে একটি পতিতালয় ছিল, মাওলানা তারিক জামিল ভাবতে লাগলেন এখানকার মহিলা গুলো তো আমার আপনজন ।

তারা যদি কাল হাশরের ময়দানে আমার নামে আল্লাহ ও তার রাসূলের কাছে নালিশ করে, তখন আমি রাসূল (সাঃ) কে কি জবাব দিবো⁉

বলবে তারিক জামিল সারা দুনিয়ায় তাবলীগ করেছে, কিন্তু আমাদেরকে দ্বীনের দাওয়াত দেয়নি‼

তারিক জামিল সাহেব মাগরিবের পর তিন সাথী নিয়ে ওইখানে গেলেন, গিয়ে (পর্দার আড়াল থেকে) প্রথম কথা বললেন" হে মেরি বেটি ও বেহেনো, মে আপকো ইজ্জত কা চাদর পেহনানে আয়া ।
অর্থাৎ হে আমার মেয়ে ও বোন, আমি এখানে এসেছি তোমাদের ইজ্জতের চাদর পরাতে ।

তারা তো অবাক, এখানে সবাই আসে আমাদের ইজ্জতের চাদর খুলতে, ইনি কে...⁉ যে আমাদের ইজ্জত দিতে এসেছে‼

তারিক জামিল সাহেব দেড় ঘণ্টা বয়ান করলেন, বয়ানের মধ্যেই তাদের কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। বয়ান শেষে তারা এই কাজ ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি করলো ।

তারিক জামিল সাহেব নিজেই তাদের কয়েকজনের খাবারের ব্যবস্থা করলেন, কয়েকজনের শাদীর ব্যবস্থা করলেন।

ঘৃণা নয় একমাত্র নবীওয়ালা দরদ দিয়েই উম্মত কে উদ্ধার করতে হয় ।

আল্লাহ সবাইকে কে সঠিক বুঝ দান করুন।   (আমীন)

Tuesday, June 9, 2020

বরাক টাইমস

*বরাক টাইমস* পরিবারের সকল সদস্যদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ।
প্রিয় সদস্যবৃন্দ আমাদের বরাক টাইমস পরিবারের রদবদল হওয়া নতুন নিয়ামাবলী :-
1. News Video editing (বদরুল হক আলিম উদ্দিন ও পিংকি চক্রবর্তী )
2. post design (আবু তৈয়ব ইকরামা, ইকবাল হুসাইন ও মুহাম্মদ আব্দুল ওয়ারিস )
3. Website Publishing (আবু ছুয়েল ও আবু তৈয়ব ইকরামা)
4. আমাদের সাপ্তাহিক ই ম্যাগাজিন *The Barak Times* publishing (আহমেদ সাদিক চৌধুরী, আবু তৈয়ব ইকরামা, আবু ছুয়েল)
5.  celebrity তথা politicians দের  facebook বা YouTube থেকে video upload (দিলুয়ার হুসেন ও আহমেদ জাকির চৌধুরী) তবে সবাই লিংক খুবই তাড়াতাড়ি আমাদের official Group শেয়ার করতে সাহায্য করবেন তাতে তাদের পাবলিশ করতে সুবিধা হবে। 
6 Documentary about barak Valley... (আবু ছুয়েল, আব্দুস ছালাম  বদরুল হক আলিম উদ্দিন ও রিয়াদ আহমদ)
7. আগামী কাল থেকে আমাদের চেনেল থেকে প্রতিদিন *super10* শুরু করা হবে। (তাই সবাই প্রতিদিন 2 টি করে news দিতেই হবে যদি বিশেষ কারো অসুবিধা হয় তাহলে আমাদের Official Group এ জানাতেই হবে কারন সবার 2 টি নিউজ দিয়ে super 10 তৈরী করা হবে। অন্যতায় সেই সদস্যকে group থেকে রিমুভ করা হবে।)
8. প্রতি 15 দিন পর পর *বিশেষ সাক্ষাৎকার* অনুষ্ঠান করতে হবে বরাক উপত্যকার বিশিষ্ট জনের সাথে (এই অনুষ্ঠানের জন্য সকলের মতামত জানাবেন)
9. আমাদের *স্থায়ী অফিস* বা একটি *স্টুডিও* করার প্রয়োজন এই কাজ কিভাবে তাড়াতাড়ি সম্ভব সকলের মতামত জানতে চাই।

(ধন্যবাদ সবাইকে তাড়াতাড়ি রিপ্লাই দেবেন।)