Tuesday, May 19, 2020

☆ বিভেদ নয়, ঐক্য চাই ☆


       বিশ্ব মানবতা আজ বিপন্ন! বিপন্ন 'মানব সভ্যতা' ও। সভ্যতার অগ্রগতির নামে সর্বত্র বিরাজমান 'অ-সভ্যতা'। চারিদিকে সেক্যুলারিজমের জয় জয় কার ।সেকুলারদের দৃষ্টিতে মানব সভ্যতার উন্নতির পথে ধর্ম যেন মহা অন্তরায়। ধর্মের বাঁধন হতে মুক্ত  হতে পারলেই  যেন পাওয়া যাবে বাঁচার পূর্ণ স্বাদ,
   অথচ ধর্মের আগমন মানবতাকে পূর্ণতা দান করার লক্ষ্যে ,--
    ধর্মই শেখায় সঠিক ভাবে বাঁচতে ও বাঁচাতে। সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতার পাঠ ও আমরা ধর্মের কাছ থেকে পাই। কোন ও ধর্ম কখনও সন্ত্রাসের কথা বলে না। সমাজে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করার শিক্ষা দেয় না;--
     আজ আমাদের বৃহত্তর সমাজে সহিষ্ণুতার পাঠ নেই। নেই কোন সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা।
  নিজ সমাজ বা জাতি ভিন্ন দেশের মানুষ আমাদের চারপাশে বাস করছে, তাদেরকে জানা-বোঝার  আগ্রহ ও আমাদের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়না। গড়ে ওঠে না কোনো যোগসূত্র,ধীরে ধীরে এই শূন্যতাটা বাড়তেই থাকে। যে কোনো  ইস্যু নিয়ে তৈরি হয় ভুল বোঝাবুঝি তাতে আবার ঘৃতাহুতি দিয়ে যায় এক শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতারা, মুহূর্তে সৃষ্টি হয়ে যায় দাঙ্গা কালীন পরিস্থিতি,, কোনও কোন ক্ষেত্রে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে।আর বলি হয় নিরীহ মানুষ আর তাদের লাশের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকে, আরো উপরে উঠতে থাকে কথিত নেতারা,,"""এই হচ্ছে আমাদের আজকের ডিজিটাল ভারত"""
   দেশ ও দেশের এহেন পরিস্থিতিতে মুসলিম জাতি যেন ভাবলেশহীন। নববী আদর্শ 
ভুলে আজ তারা ইউরোপিয়ান আদর্শে আদর্শীত,,
  তাই আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান দ্বারা একটি কথা বলা সমাজের কাছে জরুরী মনে করি, যে মুসলিম সমাজের সর্বপ্রথম করনি হলো,সমস্ত অপ্রাসঙ্গিক মতানৈক্য,বিবাদ ইত্যাদি ভুলে এক ছাতার তলায় এসে দেশের অন্যান্য সম্প্রদায়ের শান্তিকামী মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে  যাবতীয় অশুভ  ও অপশক্তির মোকাবেলা করা।আর এক ছাতার তলায় আসতে হলেই যে নিজেদের সমস্ত আদর্শ ও বিশ্বাসের জলাঞ্জলি দিতে হবে বা অন্যের আদর্শে প্রবাহিত হতে হবে ,এমনটা মনে করার কোন হেতু নেই,,সবাই স্ব স্ব আদর্শের উপর অটল থেকেও এমনটা সম্ভব ।।

Thursday, May 7, 2020

আগামী ১১ই মে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবে শেরুলবাগ-লাফাশাইল আঞ্চলিক নদওয়া ।

#আগামী_১১ই_মে_মুতাবিক্ব_১৭ই_রমযান_রোজ- সোমবার দুপুর ১ঘটিকায় উত্তর পূর্ব ভারত এমারতে শরয়ীয়াহ ও নদ্ওয়াতুত্ তামীরের অন্তর্গত  শেরুলবাগ-লাফাশাইল আঞ্চলিকের স্থানীয় লক্ষ্মীবাজারে লকডাউন  উপলক্ষে ২০০জন গরিব দুঃস্থদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হবে । এতে উপস্থিত থাকবেন উত্তর পূর্ব ভারত এমারতে শরয়ীয়াহ ও নদ্ওয়াতুত্ তামীরের মহাসচিব তথা প্রাক্তন বিধায়ক মাওলানা আতাউর রহমান মাঝারভুইয়া সাহেব । সংশ্লিষ্ট এলাকার বিত্তবানরা ওই কর্মে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন আঞ্চলিক সম্পাদক আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান সাহেব ।

Thursday, April 16, 2020

নাফিসার প্রার্থনা কি মঞ্জুর হয়ে গেল********************************নাফিসা উমর। কাশ্মিরের এক মেয়ে। যার একটি দোয়া (প্রার্থনা)-র কথা উল্লেখ করেছেন সাংবাদিক অরবিন্দ মিশ্র। কাশ্মিরে লকডাউন ছিল দীর্ঘ সাতমাস। এটা নিয়ে দেশে-বিদেশে নানা কথা উঠতে থাকে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকজন সাংসদকে এনে কাশ্মীর পরিদর্শন করানো হয়। এর আয়োজন ও ব্যবস্থা করে ভারত সরকার। সেই পরিদর্শকদলের সঙ্গে থাকার অনুমতি দেওয়া হয় দেশের কয়েকজন 'বাছাই করা' সাংবাদিককে, যাতে কাশ্মির নিয়ে রিপোর্টিং করা হলেও তা যেন সরকারের প্রতিকূলে না যায়। সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন ইকোনমিক টাইমসের অরবিন্দ মিশ্র। কয়েকদিন আগে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ওই কাশ্মির ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি পোস্ট করেন, যেটি ভাইরাল হয়। এখানে পেশ করলাম সেই ভাইরাল হওয়া পোস্টটির সম্পাদিত বঙ্গায়ন :শ্রীনগরের এক গলির মুখে একটি বাড়ির জানালায় দেখতে পাই এক পর্দানশীন মেয়েকে। মেয়েটি আওয়াজ দিতে আমি থেমে যাই। আমাকে দেখে বলেন, 'ভাইয়া ! আপনি বিলালের বন্ধু, দিল্লিতে থাকেন, তাই না?'আমি বললাম, হ্যাঁ।তখন মেয়েটি বললেন, 'বিলাল আপনার খুব তারিফ করে। বলে, আপনি খুব বুঝদার মানুষ। মানুষের দুঃখ বোঝেন। আমি নাফিসা উমর। বিলালের ফুফাতো বোন...'সময়ের স্বল্পতা বুঝে মেয়েটি তাড়াহুড়ো করে যে কথাগুলো বলেছিলেন, তাঁর সেই কথাগুলো শুনে আমি কয়েকদিন ঘুমাতে পারিনি। আর সেই কথাগুলো আজ আপনাদের কাছে বলাটা জরুরি মনে করছি। নাফিসা বলেছিলেন :'যদি কোনো জায়গায় লাগাতার সাত মাস ধরে কারফিউ চলে,বাড়ি থেকে বের হওয়া দূরের কথা, বাইরে উঁকি দেওয়াও কঠিন হয়,এলাকাজুড়ে ৮–৯ লক্ষ সেনা মোতায়েন থাকে,ইন্টারনেট বন্ধ থাকে,মোবাইল বন্ধ থাকে,ল্যান্ডলাইন ফোনও বন্ধ থাকে,বাড়ি বাড়ি থেকে শিশু-যুবক-বৃদ্ধসহ হাজারো বেকসুরদের গ্রেফতার করা হয়ে থাকে,ছোট-বড় সমস্ত নেতাদের জেলবন্দি করা হয়ে থাকে,স্কুল-কলেজ-দপ্তর সব বন্ধ থাকে,তাহলে কীভাবে বেঁচে থাকতে পারে মানুষ?তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা কী হবে? অসুস্থদের অবস্থা কী হবে?এসব কথা ভাবার মতো কেউ নেই।যদি এলাকার জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি মানুষ অবসাদে ভুগতে ভুগতে মানসিক অসুস্থতার শিকার হয়ে পড়ে,বাচ্চারা আতঙ্কিত হয়ে থাকে,ভবিষ্যত থাকে অন্ধকারে,নির্যাতন-নিপীড়ন চরমে পৌঁছয়, আলোর কোনো রেখা দেখা না যায়,অবস্থা ভালো করার মতো কেউ যদি না থাকেএবং গোটা দুনিয়া চুপচাপ তামাশা দেখতে থাকে...'নাফিসা এরপর কাঁদতে কাঁদতে বলেন :'আমরা সব সহ্য করছি। যথেষ্ট সহ্য করছি। কিন্তু ওই সময় অন্তর কেঁদে ওঠে, মনটা বড়ো ছটফট করে, যখন শুনতে হয়, ওদিকের কিছু লোক বলে, ''ভালোই হয়েছে, ওদের সঙ্গে এরকমই হওয়া দরকার ছিল''! তবুও আমরা ওদের জন্য, কিংবা অন্য কারোর জন্যেও, কখনো বদদোয়া করিনি, অভিশাপ দিইনি। কারোর খারাপ চাইনি। শুধু একটাই দোয়া/প্রার্থনা করেছি, যাতে সমস্ত মানুষ এবং গোটা দুনিয়া আমাদের অবস্থা কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারে।অরবিন্দ ভাইয়া, আপনি দেখে নেবেন, আমার প্রার্থনা খুব শীঘ্রই মঞ্জুর হবে।'এবার আমি জানতে চাইলাম, 'আপনি কী প্রার্থনা করেছেন, বোন?'তখন নাফিসা ডুকরে ডুকরে কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে যা বলেছিলেন—আমার কানে অনেক দিন বেজেছে—এখন চোখের সামনে দেখতেও পাচ্ছি—তাঁর ব্যথা অনুভব করার চেষ্টা করবেন, হুবহু তাঁর কথাগুলোই তুলে ধরছি :'ইয়া আল্লাহ ! যাকিছু আমাদের ওপর হচ্ছে তা যেন অন্য কারোর উপর না হয়, শুধু তুমি এমন একটা কিছু করে দাও যাতে গোটা পৃথিবী কিছুদিনের জন্য নিজেদের ঘরে বন্দি হয়ে থাকতে বাধ্য হয়, সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়, থেমে যায়। তাহলে হয়তো দুনিয়া এটা অনুভব করতে পারবে যে, আমরা বেঁচে আছি কেমন করে !'আজ আমরা সবাই যে যার ঘরে বন্দি। আমার কানে নাফিসার সেই কথাগুলো যেন বাজছে— 'ভাইয়া, আপনি দেখে নেবেন, আমার দোয়া খুব শীঘ্রই কবুল হবে...!' সৌজন্যে- মোহাম্মদ হাদীউজ্জামান সাহেব।

Sunday, April 12, 2020

উত্তর করিমগঞ্জের সমষ্টির অধীনে সুতারকান্দি জারাপাতা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার কাঁটাতারে বন্দি থাকা ভারতীয় ও অসহায় লোকদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিতে গতকাল সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত হলেন উত্তর করিমগঞ্জের বিধায়ক শ্রীকমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ । সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করেন কাঁটাতারের ভিতর অসহায় মানুষদের এবং তাদের সার্বিক সাহায্য সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন ।News Published in Dainik Samayik Prosango on dated 12-04-2020

সত্যি তুমি মহান। 🙏🙏🙏🙏🙏❤❤❤❤❤

#বিপদগ্রস্থদের_দান_ও_ছবি_তুলা_প্রসঙ্গ:লকডাউনের ফলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ আটকা পড়েছেন। কর্মসংস্থানে কেউ কোথাও যেতে পারছেন না। ফলে খাদ্য সংকট ব্যাপকহারে দেখা দিয়েছে।যার জন্য বিভিন্ন সংস্থা, এনজিও, সংগঠন অথবা ব্যক্তিগতভাবে তাদের যথাসাধ্য বিপদগ্রস্থদের সাহায্য করে যাচ্ছেন।যা প্রশংসাযোগ্য। ইদানিং কিছু ত্রাণ বন্টন ও ছবি তোলা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক দেখা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে দান সদকা গোপনে বা প্রকাশ্যে করার বিধান আছে। কিন্তু গোপনে দান সদকা করা উত্তম। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (দঃ) বলেছেন উত্তম সদকা হল ডান হাত দিয়ে দান করলে বাম হাত যাতে টের না পায় (অর্থাৎ অত্যন্ত গোপনীয়)। পক্ষান্তরে প্রকাশ্যে দান-সদকার কথা পবিত্র কুরআনের সুরা বাকারার ২৭১ নং আয়াতে উল্লেখ আছে। তবে প্রকাশ্যে সদকার ক্ষেত্রে নিয়ত পরিশুদ্ধ হতে হবে(অর্থাৎ নিজেকে দাতা হিসাবে জাহির না করা)। প্রকাশ্যে দান করার (ছবিসহ) উদ্দেশ্যে যদি অন্যদেরকে উৎসাহিত করা হয় তবে ইহা ইসলামের সম্পূর্ণ বৈধ।কেননা অন্যান্য ধনীরা উৎসাহিত হয়ে দান করলে আখেরে বিপদগ্রস্তদের সাহায্য হবে। তাই, আসুন সবাই মিলে বিপদগ্রস্তদের যতটুকু সম্ভব সাহায্য করি। যারা দিচ্ছেন তাদের আর‌ও উৎসাহিত করি।আর হ্যাঁ, ছবি দেওয়ার সময় যাতে ওদের মুখমন্ডল প্রকাশ্যে না আনি (মুখে কোন ষ্টিকার বসিয়ে দিলে হবে) । কারণ ওদের ও আত্মসম্মান আছে। জেনে রাখবেন, #ওরা_ভিখারী_নয়, #ওরা_অভাবী।ধন্যবাদ।।

আট হাজার ছাড়িয়ে গেল দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত আরও ৩৪সবিস্তার: https://bit.ly/34ByuQs